Logo
HEL [tta_listen_btn]

মিথিলা টেক্সটাইলে ১৮ দেশের প্রতিনিধি

মিথিলা টেক্সটাইলে ১৮ দেশের প্রতিনিধি

আড়াইহাজার সংবাদদাতা
লিড প্লাটিনাম সার্টিফাইড (সনদপ্রাপ্ত) প্রতিষ্ঠান মিথিলা গ্রæপের বিভিন্ন কারখানা পরিদর্শন করেছেন ৮ দেশের রাষ্ট্রদূতসহ ১৮ দেশের প্রতিনিধিগণ। শনিবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে প্রতিনিধিগণ আড়াইহাজার উপজেলার দুপ্তারা ইউনিয়নের খানপাড়া এলাকায় প্রতিষ্ঠিত মিথিলা টেক্সটাইল, ডাইং, খান ফুডসহ মিথিলা গ্রæপের সব কারখানার বিভিন্ন শাখা ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধিদল কারখানার কর্ম পরিবেশ, নিরাপত্তা, জ্বালানী সাশ্রয়সহ অন্য বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।পরিদর্শনকালে জার্মান রাষ্ট্রদূত আখিম ট্রোসটার, রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেক্সজেন্ডার মান্টিটস্কি, সৌদি রাষ্ট্রদূত ঈসা বিন ইউসুফ আল দুহাইলান, ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত ফাম ভিয়েত চিয়েন, নরওয়ের রাষ্ট্রদূত এসপেন রিকটার-ভেন্ডসেন, নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারীসহ যুক্তরাস্ট্র, ব্রæনাই, অস্টেলিয়া, সুইজারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডসহ ১৮ দেশের প্রতিনিধিগণের সঙ্গে বিজিএমইএ প্রেসিডেন্ট ফারুক হাসান, স্থানীয় সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু, মিথিলা গ্রæপের চেয়ারম্যান আজহার খান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোহেল খান, পরিচালক মাহবুব খান হিমেল, কায়েস খান, অভিনেতা জাহিদ হাসানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলি বলেন, লিড প্লাটিনাম সনদপ্রাপ্ত ওভেন ডাইং কারখানা মিথিলা টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড পরিদর্শন করে সত্যিই অবাক হয়েছি। মিথিলা গ্রæপ সকল আধুনিক পদ্ধতি সূমহ স্থাপণ ও ব্যবহারের মাধ্যমে তাদের প্রতিষ্ঠানটি পরিবেশ বান্ধব উন্নয়ন, জলবায়ু রক্ষা ও সবুজায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। মিথিলা গ্রæপের চেয়ারম্যান আজহার খান জানান, বাংলাদেশেই নয় বিশ্বের মধ্যে মিথিলা গ্রæপের মিথিলা টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের গ্রীণ বিল্ডিং কাউন্সিল (ইউএসজিবিসি) কর্তৃক অনুমোদিত লিডারশিপ ইন এনার্জি এন্ড এনভারয়নমেন্ট ডিজাইন (লীড) সনদপ্রাপ্ত একমাত্র প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে এতে ৬৮% জ্বালানী সাশ্রয় হয়। এমনকি দিনের বেলায় ফ্যাক্টরীতে কোন বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার করার প্রয়োজন হয় না। এছাড়া মিথিলা গ্রæপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান খান ফুড এন্ড অটো রাইস মিলের ওয়েস্ট প্রোডাক্ট ধানের তুষ জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করে ২০ হাজার ১শ’ ৬০ কিউবিক মিটার স্টিম উৎপাদন করা হয় যা মূল্যবান গ্যাস সম্পদের ব্যবহার সীমিত রাখে।তিনি আরও জানান, প্রতিষ্ঠানটিতে অত্যাধুনিক জাপানিজ বায়োলজিক্যাল ইটিপি স্থাপন করে ফ্যাক্টরীতে ব্যবহৃত বর্জ্য পানিকে পরিশোধিত করে ৫০% পানি পুণরায় ব্যবহার করা হয়ে থাকে এবং বাকি ৫০% কৃষি কাজে ও মৎস্য চাষে ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও এখানে একটা অত্যাধুনিক কাস্টিক রিকোভারী প্লান্ট (সিআরপি) স্থাপন করা হয়েছে যার মাধ্যমে ব্যবহারকৃত কস্টিকের ৯০% পুণরায় ব্যবহার করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By Raytahost.Com